🏛️ বগুড়ার দর্শনীয় স্থান
মহাস্থানগড় থেকে যমুনার চর — বগুড়ার ঐতিহাসিক ও বিনোদন কেন্দ্র
৩১টি ফলাফল
মহাস্থানগড়
আড়াই হাজার বছরের পুরোনো পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ — বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-প্রত্নস্থল এবং ২০১৬ সালের সার্ক সাংস্কৃতিক র…
মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর
১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরে মৌর্য থেকে মুসলিম যুগের মুদ্রা, মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক, শিলালিপি ও অলংকার সংরক্ষিত।
গোকুল মেধ (বেহুলার বাসরঘর)
১৭২টি বদ্ধ কক্ষবিশিষ্ট ধাপে ধাপে উঁচু ইটের স্থাপনা — লোকমুখে বেহুলা-লখিন্দরের বাসরঘর, প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে প্রাচীন বৌদ…
হযরত শাহ সুলতান বলখী (রহ.)-এর মাজার
'মাহী সওয়ার' নামে খ্যাত সুফি সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার; মুঘল আমলের মসজিদ ও দরগা ঘিরে সারা বছর দর্শনার্থীর ভিড়।
খেরুয়া মসজিদ
১৫৮২ সালে নির্মিত তিন গম্বুজের মসজিদ — সুলতানি ও মুঘল স্থাপত্যরীতির অনন্য মেলবন্ধন, ৪৪০ বছর ধরে নিয়মিত নামাজ হয়।
জাদুঘরনবাব বাড়ি ও মোহাম্মদ আলী প্যালেস জাদুঘর
বগুড়ার নবাব পরিবারের ঐতিহাসিক প্রাসাদ, এখন ভাস্কর্যে সাজানো জাদুঘর ও বিনোদন পার্ক; ২০১৬ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘোষিত।
সারিয়াকান্দি যমুনা ঘাট ও কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধ
প্রমত্তা যমুনার তীরে বাঁধ, নৌকাভ্রমণ, চরের জীবন আর সূর্যাস্ত — ছুটির দিনের জনপ্রিয় ভ্রমণস্থল।
ভাসু বিহার (নরপতির ধাপ)
গুপ্তোত্তর যুগের দুটি বৌদ্ধ সংঘারাম ও একটি ক্রুশাকৃতি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ; হিউয়েন সাংয়ের বর্ণিত 'পো-শি-পো' বিহার বলে ধ…
গোবিন্দ ভিটা
করতোয়ার বাঁকে ২০০ × ১২৫ ফুট মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ; আনুমানিক সপ্তম শতকে নির্মিত, একাধিকবার পুনর্নির্মিত।
ভবানীপুর শক্তিপীঠ
সতীর একান্ন শক্তিপীঠের অন্যতম; চার একরের মন্দির চত্বরে মূলমন্দির, শিবমন্দির ও কিংবদন্তির শাঁখা পুকুর।
সাতমাথা ও বীরশ্রেষ্ঠ স্মৃতিস্তম্ভ
সাতটি সড়কের মিলনস্থল — বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র; এখানে সাত বীরশ্রেষ্ঠের প্রতিকৃতিসহ স্মৃতিস্তম্ভ।
এডওয়ার্ড পার্ক ও শহীদ খোকন পার্ক
ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী পৌর উদ্যান; পাশে শহীদ খোকন শিশু পার্ক, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ।
যোগীর ভবন
আনুমানিক ৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত নাথপন্থী যোগীদের আশ্রম; আশি একর জুড়ে চারটি মন্দির, ধুনিঘর ও কিংবদন্তির কানচ কূপ।
ভীমের জাঙ্গাল
মহাস্থানগড়কে তিন দিক থেকে ঘিরে থাকা দীর্ঘ প্রাচীন মাটির বাঁধ বা উঁচু পথ — লোকমুখে মহাভারতের ভীমের নামে পরিচিত।
করতোয়া নদী
মহাভারতে পবিত্র নদী হিসেবে বর্ণিত করতোয়ার তীরেই গড়ে উঠেছিল পুণ্ড্রনগর; আজ বগুড়া শহরকে দুই ভাগে ভাগ করে বয়ে চলেছে।
সান্তাহার: রেল জংশন ও খাদ্য সাইলো
উনিশ শতকের রেলশহর — দেশের বৃহত্তম রেলইয়ার্ড, ব্রডগেজ-মিটারগেজের মিলনস্থল এবং বৃহৎ খাদ্যশস্য সাইলো।
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)
১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ উন্নয়ন গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান — ৪৮.৫ হেক্টরের সবুজ ক্যাম্পাসে খামার, লেক ও গবেষণা ম…
বগুড়া জেলা কারাগার (ঐতিহাসিক ভবন)
১৮৮৩ সালে করতোয়ার তীরে নির্মিত ঐতিহাসিক কারাগার।
খোদার পাথর ভিটা
পাল আমলের পূর্বমুখী বৌদ্ধ মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ; এখানকার বিশাল গ্রানাইট চৌকাঠে আজও ভক্তরা দুধ ঢেলে ভক্তি নিবেদন করেন।
বিহার ধাপ (তোতারাম পণ্ডিতের ধাপ)
নাগর নদীর তীরে দুটি বৌদ্ধ বিহার ও দুটি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ; হাজারের বেশি প্রত্নবস্তু ও দেশের অনন্য 'বজ্রলেপ' এখানে পাওয়…
পরশুরামের প্রাসাদ
মহাস্থানগড়ের ভেতরে তিন নির্মাণযুগের প্রাসাদ-ধ্বংসাবশেষ — পাল আমল থেকে সুলতানি ও অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত স্তর।
জিয়ৎ কুণ্ড (অমর কূপ)
কিংবদন্তির 'জীবনদায়ী' কূপ — কথিত আছে এর পানি পান করে রাজা পরশুরামের আহত সৈন্যরা বেঁচে উঠত।
খুল্লনার ধাপ
৯০ × ৮৭ মিটার আয়তনের ৬ মিটার উঁচু মন্দির-ঢিবি; মনসামঙ্গলের চাঁদ সওদাগরের স্ত্রী খুল্লনার নামে পরিচিত।
গোদাইবাড়ি ধাপ
মহাস্থানগড়ের উপকণ্ঠে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খনন করা মন্দির-ঢিবি।
পদ্মার বাড়ি (পদ্মা দেবীর বাসভবন)
মহাস্থানগড়ের পশ্চিমে গোলাকার প্রাচীন ঢিবি — স্থানীয় কিংবদন্তিতে পদ্মা দেবীর বাসভবন।
শালিবাহন রাজার বাড়ি ও মশমা দিঘি
পাল বংশের শাসক রাজা শালিবাহনের দশম শতকের রাজপ্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ; পাদদেশে প্রায় ১ কিমি দীর্ঘ মশমা দিঘি।
ঐতিহাসিক স্থাপনাকাহালু জমিদার বাড়ির নাটমন্দির
কাহালুর পুরোনো জমিদার বাড়ির কারুকাজময় নাটমন্দির — উপজেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থাপনা।
গুনাহার জমিদার বাড়ি (সাহেব বাড়ি)
খান বাহাদুর মোতাহার হোসেন খাঁনের ১৯৩৯ সালে নির্মিত নান্দনিক জমিদার বাড়ি — স্থানীয়ভাবে 'সাহেব বাড়ি'।
বাঙালি নদী
১৮৩ কিমি দীর্ঘ সর্পিল নদী, ১৭৮৭ সালের মহাবন্যার পর জন্ম; যমুনার সঙ্গে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে আলোচিত।
উডবার্ন সরকারি গণগ্রন্থাগার
১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত উত্তরবঙ্গের প্রাচীন গ্রন্থাগার — ৫০ হাজারের বেশি বই ও পনেরো শতকের দুর্লভ সংস্কৃত পুঁথি।
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম
টেস্ট ও ওয়ানডে আয়োজনকারী বগুড়ার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু — বাংলাদেশের প্রথম ৩০০ রানের ইনিংস এই মাঠেই।