যোগীর ভবন
Jogir Bhaban
আনুমানিক ৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত নাথপন্থী যোগীদের আশ্রম; আশি একর জুড়ে চারটি মন্দির, ধুনিঘর ও কিংবদন্তির কানচ কূপ।
কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নে অবস্থিত যোগীর ভবন নাথপন্থী যোগী ও সাধু-সন্ন্যাসীদের প্রাচীন সাধনক্ষেত্র। জনশ্রুতি আছে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে যোগী-সন্ন্যাসীরা এখানে আসতেন — তাই এর নাম "যোগীর ভবন"।
ইতিহাস
নির্মাণের সুনির্দিষ্ট দলিল পাওয়া যায় না, তবে দেয়ালের লিপি থেকে অনুমান করা হয় এটি প্রায় ৮৮৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে নির্মিত।
যা দেখবেন
- প্রায় আশি একর জুড়ে প্রাচীরঘেরা এলাকা, মাঝে বিভাজক দেয়াল দিয়ে দুই ভাগ
- একটি আশ্রম ও চারটি মন্দির: সর্বমঙ্গলা, দুর্গা, কালভৈরবী ও গোরক্ষনাথ মন্দির
- সর্বমঙ্গলা মন্দির নকশা করা ইট ও পোড়ামাটির ফলকে সমৃদ্ধভাবে অলংকৃত
- কানচ কূপ, একটি ইঁদারা, ধর্মটঙ্গী ও অগ্নিকুণ্ড ঘর
লোককথা
জনশ্রুতি অনুযায়ী বেহুলার মৃত স্বামী লখিন্দর এখানকার কানচ কূপের পানিতে জীবন ফিরে পেয়েছিলেন — মহাস্থানের গোকুল মেধের "বাসরঘর" কাহিনির সঙ্গে এর সংযোগ টানা হয়।
কাছেই
একই ইউনিয়নের আড়োলা গ্রামে শালিবাহন রাজার বাড়ি ও মশমা দিঘি — একসঙ্গে দেখে নিতে পারেন।
যাতায়াত
বগুড়া শহর থেকে কাহালু হয়ে বা মহাস্থান থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে সিএনজিতে পাইকড়। গ্রামীণ সড়ক — স্থানীয়দের কাছে পথ জেনে নিন।
ছবি



