সান্তাহার: রেল জংশন ও খাদ্য সাইলো
Santahar
উনিশ শতকের রেলশহর — দেশের বৃহত্তম রেলইয়ার্ড, ব্রডগেজ-মিটারগেজের মিলনস্থল এবং বৃহৎ খাদ্যশস্য সাইলো।
আদমদীঘি উপজেলার প্রধান শহর সান্তাহার উনিশ শতকের শেষ ভাগে উপমহাদেশের দ্রুত আধুনিক হয়ে ওঠা রেলশহরগুলোর একটি।
নামের গল্প
শহরের পুরোনো নাম ছিল সুলতানপুর। রেলস্টেশন বানানো হয় "সাঁতাহার" মৌজায়; ইংরেজ কর্মকর্তারা চন্দ্রবিন্দুর জায়গায় N বসিয়ে Santahar লিখলে "সান্তাহার" নামটি প্রচলিত হয়ে যায়। মজার ব্যাপার, স্টেশনের কোড আজও STU — SULTANPUR থেকে নেওয়া।
রেল ইতিহাস
- ১৮৭৮ সালে দর্শনা–পার্বতীপুর ব্রডগেজ লাইন চালুর সময় সান্তাহার স্টেশন হয়
- ১৮৯৯–১৯০১ সালে সান্তাহার থেকে বগুড়া হয়ে ফুলছড়ি-বোনারপাড়া মিটারগেজ লাইন চালু হলে এটি জংশনে পরিণত হয়
- অবিভক্ত ভারতে এখান থেকে দার্জিলিং মেইলে কলকাতা-দার্জিলিং যাওয়া যেত
- সান্তাহারের রেলইয়ার্ড বাংলাদেশের বৃহত্তম
খাদ্য সাইলো
সান্তাহার-রাণীনগর রোডে অবস্থিত সাইলো দেশের অন্যতম বৃহৎ খাদ্যশস্য সংরক্ষণাগার। পাশে সরকারি খাদ্য গুদাম ও ৫০ মেগাওয়াটের পিকিং বিদ্যুৎকেন্দ্র।
মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭১ সালে সান্তাহারে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ হয়। শহীদদের স্মরণে ২০১৫ সালে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়।
যা খাবেন
সান্তাহার স্টেশনের কোয়েল পাখির ডিম ভাজা যাত্রীদের কাছে বেশ পরিচিত।
যাতায়াত
বগুড়া শহর থেকে কাহালু-দুপচাঁচিয়া হয়ে বাস/সিএনজিতে; বা ট্রেনে বগুড়া থেকে সান্তাহার।
ছবি


