ভীমের জাঙ্গাল
Bhimer Jangal
মহাস্থানগড়কে তিন দিক থেকে ঘিরে থাকা দীর্ঘ প্রাচীন মাটির বাঁধ বা উঁচু পথ — লোকমুখে মহাভারতের ভীমের নামে পরিচিত।
ভীমের জাঙ্গাল (বা "ভীমের জঙ্গল") একটি দীর্ঘ প্রাচীন মাটির উঁচু পথ বা বাঁধ, যা মহাস্থানগড়কে তিন দিক থেকে পরিবেষ্টন করে বগুড়ার বিভিন্ন অঞ্চলের দিকে বিস্তৃত। এর আশপাশে বহু কালোত্তীর্ণ প্রত্নস্থাপনা ছড়িয়ে আছে।
উদ্দেশ্য নিয়ে মত
- প্রতিরক্ষা: শত্রুর আক্রমণ ঠেকাতে পুণ্ড্রনগরের বাইরের সুরক্ষাবলয়
- যোগাযোগ: বর্ষায় বন্যার মধ্যেও চলাচলের উঁচু পথ
- বন্যানিয়ন্ত্রণ: করতোয়া ও অন্যান্য নদীর প্লাবন থেকে জনপদ রক্ষা
নামের উৎস
স্থানীয় কিংবদন্তিতে মহাভারতের পাণ্ডব ভীমের নাম জড়িয়ে আছে। কেউ কেউ বরেন্দ্রের এক স্থানীয় রাজা ভীমের সঙ্গেও একে যুক্ত করেন। নির্মাণকাল সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি।
এখন কী দেখা যায়
জাঙ্গালের অনেক অংশ এখন গ্রামীণ সড়ক বা চাষের জমিতে মিশে গেছে; কিছু জায়গায় উঁচু মাটির রেখা এখনো চোখে পড়ে। স্থানীয় প্রবীণদের কাছে জাঙ্গালের নানা গল্প শোনা যায়।
ছবি
মানচিত্রে অবস্থান
🧭 গুগল ম্যাপে পথনির্দেশনাআরও দর্শনীয় স্থান
মহাস্থানগড়
আড়াই হাজার বছরের পুরোনো পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ — বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-প্রত্নস্থল এবং ২০১৬ সালের সার্ক সাংস্কৃতিক র…
মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর
১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরে মৌর্য থেকে মুসলিম যুগের মুদ্রা, মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক, শিলালিপি ও অলংকার সংরক্ষিত।
হযরত শাহ সুলতান বলখী (রহ.)-এর মাজার
'মাহী সওয়ার' নামে খ্যাত সুফি সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার; মুঘল আমলের মসজিদ ও দরগা ঘিরে সারা বছর দর্শনার্থীর ভিড়।