সাতমাথা ও বীরশ্রেষ্ঠ স্মৃতিস্তম্ভ
Satmatha
সাতটি সড়কের মিলনস্থল — বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র; এখানে সাত বীরশ্রেষ্ঠের প্রতিকৃতিসহ স্মৃতিস্তম্ভ।
সাতটি রাস্তা এক বিন্দুতে মিলেছে বলে নাম "সাতমাথা"। একে "বীরশ্রেষ্ঠ চত্বর"ও বলা হয়। এটি বগুড়া শহরের হৃৎপিণ্ড — শহরের প্রায় সব দূরত্ব সাতমাথা থেকেই মাপা হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ স্মৃতিস্তম্ভ
মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ বীরত্বের জন্য "বীরশ্রেষ্ঠ" খেতাব পাওয়া সাত শহীদের প্রতিকৃতি দিয়ে এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ও ১৩ ডিসেম্বর বগুড়া মুক্ত দিবসে এখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
চারপাশে যা আছে
- বিপণিবিতান, ব্যাংক, হোটেল ও বিখ্যাত দই-মিষ্টির দোকান
- কয়েক মিনিটের হাঁটা দূরত্বে নবাব বাড়ি, এডওয়ার্ড পার্ক, শহীদ খোকন পার্ক, আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ, উডবার্ন লাইব্রেরি ও বগুড়া রেলস্টেশন
- শহরের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সমাবেশ ও উৎসবের প্রধান কেন্দ্র
চলাচল
শহরের যেকোনো জায়গা থেকে রিকশা-অটোতে "সাতমাথা" বললেই পৌঁছে যাবেন। সন্ধ্যায় ও উৎসবের দিনে যানজট বেশি থাকে — হেঁটে ঘোরাই সুবিধাজনক।
ছবি



মানচিত্রে অবস্থান
🧭 গুগল ম্যাপে পথনির্দেশনাআরও দর্শনীয় স্থান
গোকুল মেধ (বেহুলার বাসরঘর)
১৭২টি বদ্ধ কক্ষবিশিষ্ট ধাপে ধাপে উঁচু ইটের স্থাপনা — লোকমুখে বেহুলা-লখিন্দরের বাসরঘর, প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে প্রাচীন বৌদ…
জাদুঘরনবাব বাড়ি ও মোহাম্মদ আলী প্যালেস জাদুঘর
বগুড়ার নবাব পরিবারের ঐতিহাসিক প্রাসাদ, এখন ভাস্কর্যে সাজানো জাদুঘর ও বিনোদন পার্ক; ২০১৬ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘোষিত।
এডওয়ার্ড পার্ক ও শহীদ খোকন পার্ক
ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী পৌর উদ্যান; পাশে শহীদ খোকন শিশু পার্ক, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ।