বাঙালি নদী
Bangali River
১৮৩ কিমি দীর্ঘ সর্পিল নদী, ১৭৮৭ সালের মহাবন্যার পর জন্ম; যমুনার সঙ্গে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে আলোচিত।
বাঙালি নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গাইবান্ধা, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৪৩ মিটার; প্রকৃতি সর্পিলাকার।
উৎপত্তি
বর্তমান যমুনা ও তিস্তার গতিপথ তৈরি হয় ১৭৮৭ সালের ভয়াবহ বন্যার পর। বাঙালি নদীর প্রধান উৎস এই দুই নদী হওয়ায় ধারণা করা হয় বাঙালিরও জন্ম ওই বন্যার পর। গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা থেকে উৎপন্ন হয়ে, দুই শাখায় ভাগ হয়ে, বগুড়ায় এসে আবার যমুনা ও করতোয়ায় মিশেছে। বেলাল, মানস, মধুখালি, ইছামতি, ভলকা এর শাখানদী।
নামের ইতিহাস
অষ্টাদশ শতকের শেষে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অন্যতম কেন্দ্র ছিল নদীর দুই পাড়ের বগুড়া-রংপুর অঞ্চল। নদীর নাম "বাঙালি" হওয়ার পেছনে এর কোনো সম্পর্ক আছে কিনা, তা নিশ্চিত নয়।
উদ্বেগ
নদীভাঙনে যমুনা প্রতি বছর বাঙালির দিকে এগিয়ে আসছে। দুটি নদী মিশে গেলে বগুড়া-সিরাজগঞ্জের বিশাল এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে প্রকৌশলীরা সতর্ক করেছেন; এ কারণে সারিয়াকান্দি-ধুনটে বাঁধ ও তীর সংরক্ষণ কাজ চলছে।
দেখার জায়গা
সারিয়াকান্দি ও ধুনটের বিভিন্ন সেতু ও বাঁধ থেকে বাঙালির দৃশ্য সুন্দর; শীতে নৌকাভ্রমণ উপভোগ্য।
ছবি


