🏛️ বগুড়ার দর্শনীয় স্থান
মহাস্থানগড় থেকে যমুনার চর — বগুড়ার ঐতিহাসিক ও বিনোদন কেন্দ্র
১৩টি ফলাফল • শিবগঞ্জ
মহাস্থানগড়
আড়াই হাজার বছরের পুরোনো পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ — বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-প্রত্নস্থল এবং ২০১৬ সালের সার্ক সাংস্কৃতিক র…
মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর
১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরে মৌর্য থেকে মুসলিম যুগের মুদ্রা, মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক, শিলালিপি ও অলংকার সংরক্ষিত।
হযরত শাহ সুলতান বলখী (রহ.)-এর মাজার
'মাহী সওয়ার' নামে খ্যাত সুফি সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার; মুঘল আমলের মসজিদ ও দরগা ঘিরে সারা বছর দর্শনার্থীর ভিড়।
ভাসু বিহার (নরপতির ধাপ)
গুপ্তোত্তর যুগের দুটি বৌদ্ধ সংঘারাম ও একটি ক্রুশাকৃতি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ; হিউয়েন সাংয়ের বর্ণিত 'পো-শি-পো' বিহার বলে ধ…
গোবিন্দ ভিটা
করতোয়ার বাঁকে ২০০ × ১২৫ ফুট মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ; আনুমানিক সপ্তম শতকে নির্মিত, একাধিকবার পুনর্নির্মিত।
ভীমের জাঙ্গাল
মহাস্থানগড়কে তিন দিক থেকে ঘিরে থাকা দীর্ঘ প্রাচীন মাটির বাঁধ বা উঁচু পথ — লোকমুখে মহাভারতের ভীমের নামে পরিচিত।
খোদার পাথর ভিটা
পাল আমলের পূর্বমুখী বৌদ্ধ মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ; এখানকার বিশাল গ্রানাইট চৌকাঠে আজও ভক্তরা দুধ ঢেলে ভক্তি নিবেদন করেন।
বিহার ধাপ (তোতারাম পণ্ডিতের ধাপ)
নাগর নদীর তীরে দুটি বৌদ্ধ বিহার ও দুটি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ; হাজারের বেশি প্রত্নবস্তু ও দেশের অনন্য 'বজ্রলেপ' এখানে পাওয়…
পরশুরামের প্রাসাদ
মহাস্থানগড়ের ভেতরে তিন নির্মাণযুগের প্রাসাদ-ধ্বংসাবশেষ — পাল আমল থেকে সুলতানি ও অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত স্তর।
জিয়ৎ কুণ্ড (অমর কূপ)
কিংবদন্তির 'জীবনদায়ী' কূপ — কথিত আছে এর পানি পান করে রাজা পরশুরামের আহত সৈন্যরা বেঁচে উঠত।
খুল্লনার ধাপ
৯০ × ৮৭ মিটার আয়তনের ৬ মিটার উঁচু মন্দির-ঢিবি; মনসামঙ্গলের চাঁদ সওদাগরের স্ত্রী খুল্লনার নামে পরিচিত।
গোদাইবাড়ি ধাপ
মহাস্থানগড়ের উপকণ্ঠে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খনন করা মন্দির-ঢিবি।
পদ্মার বাড়ি (পদ্মা দেবীর বাসভবন)
মহাস্থানগড়ের পশ্চিমে গোলাকার প্রাচীন ঢিবি — স্থানীয় কিংবদন্তিতে পদ্মা দেবীর বাসভবন।