সারিয়াকান্দির লাল মরিচ
Red chilli of Sariakandi
যমুনার চরে উৎপন্ন ঝাল ও রঙিন লাল মরিচ — দেশের বড় মসলা কোম্পানিগুলোর অন্যতম উৎস।
সারিয়াকান্দির লাল মরিচ বগুড়ার অন্যতম পরিচিত কৃষিপণ্য। যমুনা-তীরবর্তী পলিমাটি মরিচ চাষের জন্য খুব উপযোগী, তাই এ অঞ্চলে বড় পরিসরে মরিচ আবাদ হয়।
মৌসুম
- শীতকালে (অক্টোবর–নভেম্বর) চারা লাগানো হয়
- ফেব্রুয়ারি–এপ্রিলে মরিচ পাকে ও তোলা হয়
- মৌসুমে মাঠে মাঠে ও বাড়ির উঠানে লাল মরিচ শুকোনোর দৃশ্য দেখা যায়
বাজার ও ব্যবহার
স্থানীয় হাট থেকে পাইকাররা কিনে সারাদেশে নিয়ে যান। শুকনো আস্ত মরিচ ও গুঁড়া মরিচ দুটোই পাওয়া যায়।
কেনার পরামর্শ
- আস্ত মরিচ কিনে নিজে গুঁড়া করালে ভেজাল এড়ানো যায়
- ঝাল ও রঙ দেখে মান যাচাই করুন
- শুকনো, বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন
ছবি




আরও বিখ্যাত খাবার ও পণ্য
বগুড়ার দই
মাটির সরায় জমানো ঘন মিষ্টি দই — বগুড়ার সবচেয়ে বড় পরিচয়, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য।
মহাস্থানের কটকটি
চালের গুঁড়া, গুড় আর ঘিয়ে ভাজা মুচমুচে মিষ্টি — মহাস্থানগড়ের তবারক হিসেবে পরিচিত।
বগুড়ার আলু ও সবজি
শিবগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় প্রচুর আলু ও শীতকালীন সবজি উৎপন্ন হয়; মহাস্থান হাট উত্তরবঙ্গের বড় সবজির হাট।